বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
টাইব্রেকারে চকরিয়াকে হারিয়ে আন্তঃউপজেলা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন রামু শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ, কে জিতবে শিরোপা দেব-শুভশ্রী এক যুগ পর পর্দায় আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের প্রশান্তি হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা

উখিয়া থানার ওসিসহ ৪ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ভয়েস প্রতিবেদক:

উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আকতার, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল ইসলাম, কনস্টেবল মোঃ সুমন ও এএসআই মোঃ শামীমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগে মামলার আবেদন করেছে এক ভূক্তভোগী নারী। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ রিয়াদ সোলতানা নুরী (২২) নামের এক মহিলা মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদি মহেশখালী উপজেলার কালারমারছরার ৬ নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা নুরুচ্ছবির মেয়ে। তিনি কক্সবাজারের একটি বেসরকারী কলেজের ছাত্রী বলে জানা গেছে। মামলায় নারী নির্যাতন আইনের ৯ (১) তৎসহ দঃবিঃ আইনের ৩২৩/৩২৪/৩৪২/৩৭৯/৫০৬ ধারা মতে অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিষয়টি কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) এডভোকেট একরামুল হুদা নিশ্চিত করেছেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোস্তাক আহমদ মামলার আর্জিতে উল্লেখ করেছেন, উখিয়া থানার সাবেক কনস্টেবল মোঃ সুমন (বর্তমানে রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কর্মরত) এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক রিয়াদ সোলতানা নুরীর। এ সুবাদে বিয়ের কাবিনের কথা বলে গত ৭ জুলাই বেলা দুইটার দিকে খুনিয়াপালং চেকপোস্ট সংলগ্ন তার কক্ষে নিয়ে যায়। কাজি আসার অপেক্ষার অজুহাতে কক্ষে বসিয়ে রাখে। পরে ধর্ষণ করে। এরপর চেকপোস্টের পার্শ্ববর্তী একটি দোকানে বসিয়ে রেখে জরুরী কাজের বাহানা দিয়ে পালিয়ে যায়। অবশেষে রাত এগারোটার দিকে বিষয়টি কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে ফোনে জানান ভিকটিম রিয়াদ সোলতানা নুরী। তার কথামত থানায় গেলে অকথ্য ভাষায়  গালমন্দ ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেন ওসি মর্জিনা। এরপর অভিযুক্ত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তাকে কক্ষে আটকিয়ে রেখে ব্যাপক মারধর ও নির্যাতন চালানো হয়। এমনকি পায়ে রশি ও পরনের হিজাব দিয়ে চোখ বেঁধে একটি কক্ষে ঢুকিয়ে রাখারও অভিযোগ আনেন মামলার এজাহারে।

এ বিষয়ে জানতে উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আকতারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও মোবাইল রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে উখিয়ার সাবেক ওসি তদন্ত (বর্তমানে মহেশখালী থানায় কর্মরত) নুরুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েটিকে নির্যাতনের বিষয়টি ঠিক নয়। মেয়েটি পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করলে পুলিশ সুপার আমাদের বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দেন। আমরা গুরুত্ব সহকারে একটি প্রতিবেদন পুলিশ সুপার বরাবর পাঠিয়েছি। কিন্তু, মেয়েটি উখিয়া থানায় গিয়ে বার বার কনষ্টেবল সুমনকে বিয়ের কথা জানায়। কিন্তু, বিয়ে করিয়ে দেয়ার ক্ষমতা তো আমাদের হাতে নেই।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION